03.12.2020

আমার এ লেখাটি কেউ যখন পড়তে শুরু করবে প্রথমেই তার মনে হবে আমি আমার বক্তব্য পেশ করছি। অথচ এটি একটি পূর্নাঙ্গ উপন্যাস। কারন এখানে উপন্যাসের আবহ তৈরি করতে গিয়ে আমাকে অনেকটা ভূমিকায় অংশগ্রহন করতে হয়েছে। তারপর কাহিনীর সূত্রপাত ঘটেছে। উপন্যাসের কাঠামো গড়ে উঠেছে বাবার বন্ধু সবুজ চাচার ডায়েরীকে ঘিরে। এই ডায়েরী পড়ে বুঝতে পারলাম চাচার মাঝে বড় ধরনের জীবন দর্শন লুকিয়ে ছিল। তিনি মনে করতেন মানুষ জীবন গড়ে সহবস্হানে,সম্পর্কে,সহনশীলতায়,ত্যাগে ও তৃপ্তিতে। প্রতিটি মানুষ বৈচিত্রে ও ব্যাক্তিত্বে আলাদা পৃথক ক্ষেত্রের উপর দাঁড়িয়েও মহান ঐক্যে যুক্ত। তার সঞ্চিত অভিজ্ঞতা,চিন্তা শারীরিক গঠন প্রভৃতি বিনা প্রচেষ্টায় পেয়েও কি অসহায়ভাবে পরাধীন। মনে মনে ভাবে বিশ্বাস,আস্হা ভালবাসা কতটকু সত্য? কিংবা সত্য নয়। তবুওতো মানুষকে গন্ডিবদ্ধ ঘেরাটোপেই ফিরে আসতে হয়। বিশ্বাস আস্হায় ফিরে আসে মানুষ। ভালোবাসার কাছাকাছি আসে।
-জুলফিয়া ইসলাম-


সমাজজীবন ও আপন জগৎ,বিপ্রতীপ হলেও মানুষের এই দ্বৈত প্রবণতা গড়ে সম্পর্কের মেরুমিলন
-জুলফিয়া ইসলাম-

Leave a Reply

Quick Navigation
Facebook32
YouTube379
×
×

Cart